ফুটবল খেলা মানে আবেগ। ফুটবল খেলা মানে উত্তেজনা। সেই উত্তেজনা তুঙ্গে উঠে ৪ বছর পর পর বিশ্বকাপ খেলায়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে না পারলেও বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীরা ভালবাসে ফুটবলকে, ফুটবল দলকে। খেলোয়াড়দেরকেও। ফুটবল প্রেমীদের একেকজন বিশ্বকাপ আসরকে কেন্দ্র করে একেক দেশের সমর্থন করে থাকে। এর মধ্যে সমর্থনের শীর্ষের তালিকায় রয়েছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মান, পর্তুগাল, ইতালী ও জাপান।

প্রিয় দলের সমর্থনে বাংলাদেশর ফুটবল সমর্থকরা নিজের গায়ে প্রিয় দলের জার্সি নিজের গায়ে পরিধান করেন। কেউ আবার প্রিয় দলের দেশের পতাকা নিজের বাড়িতে, অফিসে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে উড়াতে দেখা যায়। নিজের দলের ও নিজের পছন্দের খেলোয়াড়ের জন্য সমর্থকরা ব্যতিক্রমধর্মী কাজ করে নিজের আবেগ, ভালবাসার জানান দেন। তাদের একজন নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার লাউতলী গ্রামের লুৎফর রহমান রাজীব। তিনি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। ফুটবল খেলা বুঝার পর থেকে তিনি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক বলে জানিয়েছেন এ প্রতিবেদককে। প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপলক্ষ্যেই তিনি নিজের দলের প্রতি ভালবাসার বর্হিপ্রকাশ ঘটান নানা উপকরণ ও কাজের মাধ্যমে। ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যেও এর ব্যত্তয় ঘটেনি। এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে লুৎফর রহমান রাজিব এবার তার চারতলা বাড়ির রং করেছন আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে। এমনকি বাদ যায়নি বাড়ির দেয়ালও। তাদের মালিকানাধীন দোতলা মার্কেটেও রং করেছেন আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে। পুরো বাড়ি ও মার্কেটকে তিনি আর্জেন্টিনার পতাকার আদলে এমনভাবে রাঙ্গীয়েছেন যে, দেখলে মনে হবে আর্জেন্টিনার পতাকা দিয়ে হয়তো বাড়ি ও মার্কেটকে কেউ ঢেকে দিয়েছেন। বাড়ি ও মার্কেটকে আর্জেন্টিনা পতাকার রঙ্গে রাঙ্গানোর পর থেকে আর্জেন্টিনার ভক্তরা ভীড় করছেন বাড়িটিতে। আসছেন উৎসুক ব্যক্তিরাও। আর্জেন্টিনার ভক্ত এবং উৎসুক ব্যক্তিরা বাড়ির সামনে বা সুবিধাজনক স্থানে দাড়িয়ে সেল্ফি, ছবি তুলছেন। নানাভাবে তোলা তাদের ছবিগুলো শেয়ার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

লুৎফর রহমান রাজিবের বাড়িটিকে আর্জেন্টিার পতাকার রঙ্গে রাঙ্গানোর পর খবর পেয়ে সেনবাগ থানার ইয়ারপুর গ্রাম থেকে ছুটে আসেন সুমন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে আমি বাড়িটিকে দেখতে আসি, সেল্ফি তুলি। প্রিয় দলের প্রতি ভালবাসার কারণে মেমোরীতে রাখার জন্যই বাড়িটিকে দেখতে এসেছেন বলে জানিয়েছেন সুমন।
