নারায়ণগঞ্জের আদালতপাড়ায় মামলার বাদি ও তার পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে প্রধান আসামী করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে ফতুল্লা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে নয়জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরো ৪-৫ জনকে আসামি করে এ মামলাটি দারেয়র করা হয়। হামলায় আহত ইরফান মিয়ার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। বুধবার মামলা দায়েরের এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন।
মামলার আসামিরা হলেন-নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান (৫০), এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের তিন জুনিয়র আইনজীবি খোরশেদ আলম (৪০), আলামিন শাহ্ (৩৯), আইনজীবি বিল্লাল হোসেন (৩৮), এডভোকেট সাখাওয়াতের মুহুরি হিরন (৩৮), আদালতে দায়ের করা মামলার বিবাদী ইসমাইল (৪৬), ইসমাইলের ভাই টিটু (৫০), শাহালম (৪৮) ও রাসেল বেপারি (৩৫)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভূইগড়ের সাত্তার সরকারের ছেলে ইসমাইলের কাছে ২৫ লাখ টাকা পান নগরীর কালিরবাজার এলাকার সেনেটারি ব্যবসায়ী ইরফান মিয়া। টাকা চাইলে তারা এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের হুকুমে তাদের বাসায় এসে হামলা ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। তাই তারা পাওনা টাকা চেয়ে ও হামলা-হুমকির ব্যাপারে আদালতে মামলা করেন। এর জের ধরে গত ২৬ অক্টোবর দুপুর অনুমান ১২টায় এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের নির্দেশে তার মুহুরি, জুনিয়র আইনজীবি ও আদালতের মামলার বিবাদীরা আদালত প্রাঙ্গণে তাদের উপর হামলা চালায়। মামলায় তাদের পাঁচ বছরের ছেলে আব্দুল্লাহ, বড় ছেলে জাতীয় বক্সার জিদান (১৭), ইরফান মিয়া (৪২) ও তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা (৩৮) গুরুতর আহত হন।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় মামলা নেয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে পরবর্তী সকল আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।