1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন

পাবনায় শীতের তীব্রতা, তাপমাত্রা ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৯১ Time View
তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন।ছবি: ইত্তেফাক।

তীব্র শীত আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাবনার জনজীবন। স্থবিরতা দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মে। ঘন কুয়াশায় ভরে থাকছে চারদিক। যানবাহনগুলোকে দুপুর পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। দুপুর ১২ টার পর সামান্য সময়ের জন্য রোদ উঠলেও উত্তাপ মিলছে না। শীতের তীব্রতায় সন্ধ্যার পর জনশূন্য হয়ে পড়ছে শহর।

পাবনা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, কয়েকদিন থেকে তাপমাত্রা নিচের দিকে নামছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি শীত মৌসুমের প্রথম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তিনি বলেন, ‘তাপমাত্রা দিন দিন আরও কমবে। এ মাসের শেষ দিকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা করা হচ্ছে।’

ঈশ্বরদীর খয়েরবাড়িয়া গ্রামের কৃষক এন্তাজ আলী বলেন,‘শীত-কুয়াশার কারণে রোপা আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যাপ্ত রোদ না থাকায় চারা গজাচ্ছে না।’

এছাড়াও প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় জেলার সর্বত্র সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে শীতজনিত বিভিন্ন রোগ। শীতজনিত রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। অন্যদিকে শীতবস্ত্রের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল খেটে খাওয়া মানুষ। অনেকে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। কিছু কিছু কৃষক বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও মাঠে কাজ করছেন। কেউ কেউ গবাদি পশুকে গায়ে চট দিয়ে মাঠে ঘাস খাওয়াচ্ছেন। খেটে খাওয়া অনেক দরিদ্র দিনমজুর শীতের তীব্রতায় ঘরের বাইরে কাজ কর্মে যেতে পারছেন না। ফলে অনেক পরিবারের লোকজনকে অর্ধাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বৃহস্পতিবার ইত্তেফাককে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত জেলায় ৩৮ হাজার কম্বল পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে তা ৯টি উপজেলা ও পৌরসভাগুলোতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কোন অসহায় মানুষ এবার শীতে কষ্ট পাবেন না।’ খবর ইত্তেফাক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved