1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

সিনহা হত্যা মামলায় ১০ম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯৮ Time View
Army , Mejor Sinha

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার দশম সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলামের জবানবন্দি দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে তাঁর সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। তিনি টেকনাফের মারিশবুনিয়া জামে মসজিদের ইমাম। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ওসি প্রদীপসহ মামলার ১৫ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম বলেন, আজ তৃতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণের দ্বিতীয় দিনে ১০ নম্বর সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলামসহ চারজনকে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আনা হয়।

বাকি তিন সাক্ষীর মধ্যে রয়েছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাহীন আবদুর রহমান, ডা. রনধীর দেবনাথ ও সেনা সদস্য সার্জেন্ট আয়ুব আলী। এ মামলায় মোট সাক্ষী ৮৩ জন।

এর আগে গত ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট টানা তিন দিন মামলার প্রথম দফায় বাদী শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস ও সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। একইভাবে গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর টানা চার দিন দ্বিতীয় দফায় চার প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য নেন আদালত। এ পর্যন্ত মোট নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এদিকে বেলা ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সিনহা হত্যা মামলায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার ছয় দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ সাত পুলিশ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা করে। পরে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved