প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
গত ৭ ডিসেম্বর ‘‘সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিংয়ে কোটি কোটি টাকার বানিজ্য’’ করছে শিরোনামে দৈনিক সচেতনসহ একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং সমাজ কল্যান সমিতি। প্রকাশিত ঐ সংবাদে দাবি করা হয়, হাউজিং এলাকায় ১ হাজারেরও বেশী ৫ তলা, ১০ তলা বিল্ডিং রয়েছে সেখানে শক্তিশালী সিন্ডিকেট হাউজিংয়ের বাসিন্দাদের জিম্মি করে ইট, বালি, রড, সিমেন্টসহ ইত্যাদি নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
প্রকৃত পক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং এলাকায় কোন সিন্ডিকেটনেই। তাছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিংয়ে রয়েছে মাত্র ৪৫০টি প্লট। সেই ৪৫০ টি প্লটেকিভাবে ১ হাজারেরও বেশী ৫ থেকে ১০ তলা বিল্ডিং নির্মান করা যায়? এতেই প্রতীয়মান হয় সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়া ও বিভ্রান্তিকর।
এছাড়াও হাউজিং এলাকায় কেউ যদি প্লট বেচাকেনা করে তাহলে দুই পক্ষকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ টাকা প্রদান করতে হয় মর্মে সংবাদে দাবি করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং সমাজ কল্যান সমিতির কমিটি গঠনের পর একটি প্লটও কেনা-বেচায় টাকা নেওয়ার নজির নেই। প্রকাশিত ঐ সংবাদে উল্লেখ করা হয়, তাছাড়া হাউজিংয়ে আগের কমিটি থাকাকালীন সময় এলাকার মানুষ কিছুটা শান্তিতে ছিলো। গত কয়েক মাস আগে হাউজিংয়ে নতুন কমিটি গঠন করার পর থেকেই এলাকার পরিবেশ একবারই নষ্ট হয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে আগের কমিটি থেকে শুধু মাত্র সভাপতি আব্দুল আউয়ালকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সভাপতি আব্দুল আউয়াল ছাড়া অন্যান্য সবাই আগের কমিটিতেও ছিলেন। তারা নতুন কমিটিতেও রয়েছেন।
প্রকাশিত সংবাদে প্লট কেনা-বেচায় অর্থ আদায়, মালামাল বিক্রি করার মত কোনঘটনা অদ্যবধি ঘটেনি। প্রকৃত ঘটনা হল এ কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল এ এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ আদায় করতো। হাউজিং এলাকার স্কুলের অর্থ আত্মসাৎ করায় তাকে স্কুলের কমিটি থেকে বাদ দেয়া হয়। তাই আব্দুল আউয়াল তার অবৈধ আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রকৃত সত্য আড়াল করে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সাংবাদিকদের কাছে পরিবেশন করে ঐ সংবাদ পরিবেশন করিয়েছিলেন। তার অপরাধের কারণে সম্প্রতি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিংয়ে নতুন কমিটি গঠনের পর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং এলাকায় চাঁদাবাজির কোন নজির নেই। নতুন কমিটি চাঁদাবাজ ও মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে। নতুন কমিটি ইতিমধ্যে মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করেছে। সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং এলাকার অদুরেই রয়েছে র্যাব-১১ এর সদর দপ্তর। তাছাড়া এর কিছু দুরেই রয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা
কার্যালয়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ও সিআইডি এবংপিবিআইবি পুলিশের এ এলাকার প্রতি নজর রয়েছে।
এ এলাকায় চাঁদাবাজীসহ উক্ত রিপোর্টে উল্লেখিত অপরাধমুলক কর্মকান্ড সংঘটিত হলে অবশ্যই প্রশাসনের উপরোক্ত সংস্থাগুলো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতো। মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তি মূলকসংবাদ পরিবেশন করে প্রশাসনের সংস্থাগুলোকে নিষ্কৃয় হিসাবে চিহিৃত করতে সুকৌশলে একটি মহল তৎপর বলে আমরা মনে করি। ফলে উপরোক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ওপ্রতিবাদ জানান সিদ্ধিরগঞ্জ হাউজিং সমাজ কল্যান সমিতি।