1. mdemon1971@yahoo.com : news : Emon
  2. sowkat.press@gmail.com : Global :
  3. kamrulhk1984@gmail.com : gobalprime :
  4. jahidhasan87989@gmail.com : Jahid Hasan : Jahid Hasan
  5. soykotmh8@gmail.com : Prime time press : Prime time press
  6. rashedulraju760@gmail.com : prime time : prime time
  7. skprime88@yahoo.com : primetim2 :
  8. rashidul.rahul@gmail.com : অ্যাডমিন :
  9. siplujt@gmail.com : এডমিন :
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগের তৃণমূলে আলোচনায় যারা!

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৯৫ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি: সম্প্রতি ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে আলোচনায় রয়েছে আওয়ামী লীগের শীর্ষ অঙ্গসংগঠন যুবলীগ। সংগঠনটিকে নেতিবাচক ধারা থেকে বের করে ইতিবাচক ব্র্যান্ডে যুক্ত করতে চান আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই একদিকে চলছে শুদ্ধি অভিযান অন্যদিকে নতুন নেতৃত্বের খোঁজ। সে লক্ষ্যে দেশের রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরিচালনা করছেন শুদ্ধি অভিযান।
আগামী ২৩ নভেম্বর সংগঠনটির সম্মেলনের দিনক্ষণ ঠিক করে দেয়ায় সবার দৃষ্টি এখন যুবলীগে। রাজনীতি পাড়ার মানুষদের সাথে সাধারণ মানুষদেরও কৌতূহলের শেষ নেই। সংগঠনটির এই ক্রান্তিকালে কারা আসছেন নেতৃত্বে?
আওয়ামী লীগের কয়েকজন শীর্ষ নেতা জানান, যুবলীগ ঢেলে সাজাতে এবার বিশেষ মনোযোগ দিয়েছেন দলটির হাইকমান্ড। আর অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতৃত্বের প্রতিই আস্থাশীল প্রধানমন্ত্রী। এ প্রেক্ষাপটে কয়েকজন তরুণ নেতার নাম উঠে এসেছে আলোচনায়। যারা একাধারে বিশ্বস্ত, প্রতিশ্রুতিশীল ও মেধাবী।
এদিকে, যুবলীগে বয়সের সীমারেখা আরোপের পর বয়ষ্করা নেতৃত্বের দৌড়ে ছিটকে গেলেও আলোচনায় এসেছেন তরুণরা। যারা ভবিষ্যতে সংগঠনটিতে শীর্ষ পদের দাবিদার। নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এই নির্ণায়ককে স্বাগত জানিয়ে তারা বলছেন, এর মাধ্যমে যুবলীগ তার অতীত ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নতুন দিনের সূচনা করবে।
তবে নেতৃত্বের এই দৌড়ে নেতারা দৃষ্টি রাখছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বি সতীর্থদের বয়স কত সেদিকে। অর্থাৎ বয়স এখন যুবলীগের রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্ট। পদপ্রত্যাশীরা একে অন্যের কত বয়স- এ বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় দক্ষিনে তৃণমূলে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন কয়েকজন প্রার্থী। যাদের নামে কখনো কোন বদলাম হয়নি।ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ তাদের নাম কোথাও ছিলো না।তারা জাানান দলকে ভালোবাসি। দলের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত। যুবলীগের সুনাম ফিরিয়ে আনতে কাজ করবেন তারা। যুবলীগকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত করবে। যুবলীগকে শুধু যুবদের উন্নয়নে কাজে লাগাবেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে সভাপতি পদ প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে আছেন যারা: 
হারুন অর রশিদ: বর্তমানে যুবলীগের দক্ষিনে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন। ছোটবেলা থেকে রাজনীতি শুরু তার। পারিবারিক সূত্র আওয়ামীলীগ করে বড় হয়ে উঠেছেন এই যুব নেতা। ১৯৮৭ সালে কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে তার পথ চলা শুরু। ১৯৯০ সালে বৃহত্তর ডেমরা থানা ছাত্রলীগ ( কামরুল – মামুন) কমিটিতে সহ- সভাপতি পদে নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। ১৯৯৮ সালে সাবেক ৩৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সাল অবিভক্ত ডেমরা থানা যুবলীগের আহ্বায়ক হসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী অগ্নিঝড়া আন্দোলনে দলের ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। দলের দুর্দিনে পুলিশের নির্যাতন ও ৪ বার কারাবরণ করেন।তিনি জানান বর্তমান যুবলীগে এমন নেতৃত্ব আনতে হবে যারা কিনা দেশের জন্য কাজ করতে পারে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দক্ষিনে দায়ীত্ব দেয় তাহলে তা যথাযথ ভাবে পালন করবো। আমার কাছে রাজনীতি মানেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া।
আলী আকবর বাবুল: ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৬ সালে বর্তমান ৪১ নং ওয়ার্ড (সাবেক ৭৭নং ওয়ার্ড) এ আমি যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৬ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এই ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। অাওয়ামীলীগ এর বিপদে সবসময় ছিলাম সবার আগে। ২০০৩ থেকে ২০০৯ এ আমি যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিনে সহ- সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। তারপর ২০০৯ আবার ও সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করি। এখন যুবলীগের এই দুর্দিনে নেতৃত্ব এসে হারানো ঐতিহ্যকে নতুন ভাবে ফিরে আনার চেষ্টা করব। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সাধারন ভাবে চলাফেরা যারা করেন তাদেরকে ভালোবাসেন। পেশি শক্তি বলায় দিয়ে ১০০-২০০ মোটর বাইক দিয়ে চলাফেরার করার রাজনীতি শেষ। তাই আমি চাই আমাকে যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কোন দায়িত্ব দেয় তাহলে তা আমানত হিসবে তার সঠিক ব্যবহার করবো। সরকারের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবো।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে সাধারণ-সম্পাদক পদ প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে আছেন যারা:

ওমর ফারুক: ১৯৯৫ সালে জাতির পিতার গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করে রাজনীতি শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ-হাসিনার দিক নির্দেশনায় নিজেকে সততা, যোগ্যতা, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং যুবলীগের প্রতিশ্রুতির সাথে নিয়োজিত রেখেছেন বলে জানান এই যুব নেতা।বর্তমানে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসবে আছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের মর্মান্তিক সময় ছিলো ২০০৭ সালে জানুয়ারি মাসের ১১ইং তারিখ, ওয়ান ইলেভেনে সেই সময় বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হয়ে রাজপথে সশরীরে উপস্থিতি ছিলেন এ যুবলীগ নেতা। বারবার কারাবন্দি নির্যাতন করা হয়েছে শুধু তাই নয় বারবার পুলিশ হাতে নির্যাতিত এবং পুলিশের লাঠিচার্জ স্বীকার হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন যুব রাজনীতির সাথে জরিত ওমর ফারুক। তিনি জানান, দক্ষিনের নেতা কর্মীরা অামাকে চাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে দায়ীত্ব দেয় তাহলে তার সঠিক ব্যবহার করে যুব উন্নয়নে কাজ করবো আমি।

কাজী ইব্রাহিম খলিল মারুফ: ১৯৯০ সালে গেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে সাবেক ছাত্র নেতা শহীদুল্লাহ ভাইয়ের হাত ধরে শেখ রাসেল শিশু কিশোর সংগঠনের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করি, ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হয়ে রাজনীতি চালিয়ে যাই। ১৯৯৭ সাল থেকে স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হই ২০০১ইং সনে সাবেক ৮৭ বর্তমান ৫১নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহ্বায়ক এবং ২০০৩ইং সনে সভাপতি নির্বাচিত হই বর্তমানে মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা জেলা পরিষদ এর সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। এখন এই সময়ে দক্ষিণ যুবলীগের সুনাম ফিরেয়ে আনতে কাজ করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা যদি আমাকে দায়ীত্ব দেন তাহলে তার সঠিক ব্যবহার করবো।
আরমান হক বাবু: বর্তমানে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন তরুন এই যুব নেতা। পারিবারিক সূত্র থেকে আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর বৃহত্তর মতিঝিল থানার অন্তর্গত ৩৪ নং ওয়ার্ড বর্তমান ১১ নং ওয়ার্ড খিলগাঁও ইউনিট ছাত্রলীগের সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালের ঐ ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ- সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে বৃহত্তর মতিঝিল থানার সহ – সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। পরবর্তীতে ৩৪ নং ওয়ার্ড বর্তমান ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগের ১ নং যুগ্ম- আহ্বায়ক মনোনীত হন এবং ২০০৫ সালে ৩৪ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাস এবং তার ছোট ভাই মির্জা খোকনের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা বিভিন্ন সময় নির্যাতনের স্বীকার হন। ২০০৬ সালে নির্ভুল ভোটার তালিকার দাবিতে মিছিলে বিএনপির পুলিশ বাহিনীর হামলায় গুরুতর আহত হয়। তিনি জানান দক্ষিন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পূর্বের সুনাম রক্ষার জন্য সব কিছু করতে আমি তৈরি আছি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী হাত ধরে। আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হলে সততার সাথে কাজ করবো।
গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী:
সৈয়দ মাসুদ হাসান রুমি: ত্রান ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ। পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা। যিনি দীর্ঘদিন যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি জানান প্রধানমন্ত্রী রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনা আমাকে যেখানে রাখবেন আমি সেখানেই কাজ করবো এবং বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সহায়তা করবো।
ওমর শরীফ পলাশ: বর্তমানে শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগের। তিনি জানান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যেখানেই রাখুক না কেন দলের জন্য কাজ করে যাবো সবসময়।
খন্দকার রিয়াজ আহমেদ ফালান: বর্তমানে উপ- মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগে। সাবেক সহ – সভাপতি, সরকারি শহীদ সোহ্ রাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রলীগ। ১৫ ই আগষ্ট পালন করতে গিয়ে বি এন পি জমাত এর পুলিশ বাহিনী দ্বারা কারা বরন করতে হয়েছে। তিনি জানান দলের দুর্দিনে দলের জন্য কাজ করেছি। এখনো দলের জন্য কাজ করে যাবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যেখানে রাখবেন সেখানে দল ও দেশের জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
যুবলীগের কমিটির বিষয়ে তৃণমূলের সাবেক ছাত্র নেতা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি শহীদ সোহ্ রাওয়ার্দী কলেজ শাখা সাবেক যুগ্ম- সাধারন সম্পাদক কামরুল হাসান কানন জানায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযান কে স্বাগত জানাই। এই শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে প্রকৃত সৎ, ত্যাগী, মেধাবী, পরিছন্ন নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হবে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এবং এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার হবে। আশা করি ৭ম কংগ্রেসে ক্লিন ইমেজ এর নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগ শ্রেষ্ঠ ইউনিট হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
globalprime24.com 2024 © All rights reserved