রক্তের অতিরিক্ত চিনির মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে করলা।
উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় করলা। নিয়মিত করলা খেলে রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমে।
নিয়মিত করলা খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
করলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান ও ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অ্যালার্জি এবং সংক্রমণের প্রকোপ কমাতেও সাহায্য করে এটি।
করলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রক্তে মিশে থাকা দূষিত উপাদান বের করতে সাহায্য করে। এতে অসময়ে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। পাশাপাশি করলায় থাকা ভিটামিন এ, সি এবং জিঙ্ক বলিরেখা কমিয়ে ত্বক টানটান রাখে।
মেদ কমাতে প্রতিদিন পান করতে পারেন করলার রস। এতে থাকা ডায়াটারি ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত ক্ষুধা লাগতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। এছাড়া বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে, করলায় থাকা নানাবিধ খনিজ এবং অন্যান্য উপকারী উপাদান শরীরে জমে থাকা চর্বিকে ঝরিয়ে দিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
লিভার ভালো রাখে করলা। বদহজম এবং অ্যাসিডিটির প্রকোপ কমায় এটি। খবর বাংলা ট্রিবিউন