গত ২৭ মার্চ চার বারের সাবেক এমপি অধ্যাপক মো. ইউনূস এবং ১৪ এপ্রিল সাবেক আইনমন্ত্রী ও কুমিল্লা-৫ থেকে পাঁচবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু মারা গেলেন। তাদের মৃত্যুর ৪০ দিন না হতেই শোকসভা ও শোক জ্ঞাপনের পাশাপাশি উপ-নির্বাচনে নিজের প্রার্থীতার কথা জানান দিতে মাঠে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা। গত ২২ এপ্রিল সংসদ সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে আসনটি শুণ্য হওয়ার ঘোষণার পর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তোরজোড় বেড়ে যায়।
আরো পড়ুন: কুমিল্লায় ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

তবে এদের মধ্যে এলাকায় সবচেয়ে গ্রহনযোগ্যতা বেশি বুড়িচং উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিমের।
স্কুল জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম। ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পতাকা হাতে লড়াই সংগ্রামে কুমিল্লা-৫ এ সামনে থেকে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। রেজাউল বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, হয়েছিলেন সভাপতিও। বুড়িচং উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৮ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে অ্যাডভোকেট রেজাউল করিমের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, সোনার চামুচ মুখে নিয়ে রেজাউল করিমের জন্ম হয় নাই। কুমিল্লা-৫ এর মানুষ জানে লড়াই সংগ্রামের মাঝেই উনার পথ চলা। তৃণমূলের নেতা কর্মীদের আস্থার নাম রেজাউল। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায়, আসে পাশের অনেকেই আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন, কিন্তু ক্ষমতার দম্ভ কিংবা অর্থ বিত্তের লোভ উনাকে স্পর্শ করতে পারেনি। আমাদের অগাধ বিশ্বাস জননেত্রী শেখ হাসিনা কুমিল্লা-৫ এর আগামী উপনির্বাচনে রেজাউল ভাইকেই মনোনয়ন দিবেন।

বুড়িচং উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম খোকন বলেন, ইনশাআল্লাহ, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মনোনয়ন চাইব। নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো। আমি নির্বাচিত হলে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো, বুড়িচং ব্রাহ্মণপাড়াকে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত করব, প্রশাসনের দুর্নীতি দমনসহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আধুনিকায়ন নিশ্চিত করবো।