আপনার কিডনিকে সুস্থ বা ভাল রাখতে অতিরিক্ত পানি পানের পাশাপাশি খাবারে রাখতে পারেন- বিট, ক্র্যানবেরি, মিষ্টি আলু, রসুন ও পালংশাক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনির অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। যার ফলে পানির অভাবে কিডনির সমস্যা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
জেনে নিন উপরোক্ত পাঁচ সবজির গুণাগুণ ও বৈশিষ্ট্য-
বিট: রক্ত পরিশুদ্ধ করার কাজে শীতকালীন এ সবজির জুড়ি মেলা ভার। এতে রয়েছে হাই ফাইবার। বিটকে তাই সালাদ কিংবা স্যুপ হিসাবে খেতে পারেন। শীতকালে বাজারে গেলে সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ে বিট। দামও মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, শীতকালীন খাদ্যতালিকায় বিট থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ বিটের খাদ্যগুণ অনেক। বিট খুব দ্রুত হজম হয়।
ক্র্যানবেরি: প্রস্রাবে সংক্রমণ মূলত কিডনির সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ। তাই সে সমস্যা রুখতে আজই খাদ্যতালিকায় ক্র্যানবেরি রাখা প্রয়োজন। পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রতিদিন এক গ্লাস করে ক্র্যানবেরির জুস খেতে পারেন। আর না হলে ক্র্যানবেরি ফল হিসাবে চিবিয়ে খেতে পারেন। তাতে কিডনির সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমবে অনেকটাই।
মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু ভিটামিন এ, সি, ফাইবার ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। এ সবজি অত্যন্ত পুষ্টিকর। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও কিডনিকে ভালো রাখার জন্য মিষ্টি আলুর কোনো বিকল্প নেই। শীতকালীন খাদ্যতালিকায় তাই অবশ্যই মিষ্টি আলু থাকা প্রয়োজন।
রসুন: যে কোনো খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতে রসুনের ভূমিকা যথেষ্ট। রক্তচাপ ও রক্তে কোলেস্টেরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রসুন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা। তাই শীতের খাদ্যতালিকায় রসুন যেন থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
পালংশাক: আয়রন, ম্যাগনেশিয়ামসহ আরও নানা খনিজের সম্ভারে সমৃদ্ধ পালংশাক। তাই যাদের কিডনিতে স্টোনের সমস্যা রয়েছে, তাদের খাদ্যতালিকায় অবশ্য পালংশাক রাখা প্রয়োজন। আপনি চচ্চড়ি কিংবা সিদ্ধ করেও পালংশাক খেতে পারেন।